ডালিম একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল। চীনে একে ‘লাকি ফ্রুট’ বলা হয়। দেখতে আকর্ষণীয় ও স্বাদে অনন্য এই ফলটি তুলনামূলক দামী হওয়ায় অনেকেই নিয়মিত খান না। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, ডালিম নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর ও ত্বকের জন্য নানা উপকার পাওয়া যায়।

ডালিমে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। কেবল ফল হিসেবেই নয়, জুস, স্মুদি, সালাদ কিংবা ডেজার্টেও ডালিম ব্যবহার করা যায়।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ডালিম খাওয়ার ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা:
১. সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষা

ডালিমে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের ক্ষয় কমায়।
২. ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস

একটি ডালিম দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর বড় অংশ পূরণ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
৩. ত্বক রাখে তারুণ্যদীপ্ত

ডালিম কোলাজেন ও ইলাস্টিন উৎপাদনে সহায়তা করে, ফলে ত্বক থাকে টানটান ও উজ্জ্বল।
৪. ত্বকের প্রদাহ কমায়

ডালিমে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের জ্বালা ও লালচে ভাব কমাতে সাহায্য করে।
৫. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক

নিয়মিত ডালিম খেলে কিছু নির্দিষ্ট ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।
৬. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা

ডালিমে থাকা ডায়েটারি ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৭. হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে

ডালিম খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক।
৮. ব্রণ ও দাগ কমাতে সাহায্য করে

ডালিম হজমশক্তি উন্নত করে, যার ফলে ত্বক পরিষ্কার থাকে ও ব্রণ কমে।
৯. শরীর হাইড্রেট রাখে

ডালিম শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বক আর্দ্র রাখে।
১০. স্মৃতিশক্তি উন্নত করে

ডালিম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ও স্মৃতিশক্তি প্রখর করতে সহায়ক।
১১. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে

ডালিম কম ক্যালোরিযুক্ত হলেও পুষ্টিতে ভরপুর, যা ওজন কমাতে সহায়তা করে।
১২. 
ডালিম বিপাক প্রক্রিয়া সক্রিয় রাখে এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
১৩. চুল পড়া কমায়

ডালিম মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের গোড়া মজবুত করে।
- Log in to post comments