মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে প্রবন্ধ লেখা ও কারাবাসে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এক পকসো মামলায় দোষীর সাজা কমিয়ে দিল বম্বে হাই কোর্ট। আজীবন কারাদণ্ডের বদলে ওই অভিযুক্তকে ১২ বছরের কারাবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ঘাটকোপর এলাকার। ২০১৬ সালে পাঁচ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর ২০২০ সালে পকসো আদালত তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আবেদন করা হয়।
বম্বে হাই কোর্ট জানায়, নিম্ন আদালতের রায়ে কোনও ত্রুটি নেই এবং অপরাধ গুরুতর। তবে সাজা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অভিযুক্তের আচরণ ও সংশোধনের প্রচেষ্টাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আদালতে জানানো হয়, কারাবাসের সময় অভিযুক্ত একাধিক সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন এবং ভাল ফল করেছেন। তিনি মহাত্মা গান্ধীর দর্শন ও চিন্তাধারা নিয়ে প্রবন্ধও রচনা করেন।
বিচারপতি সারং কোতওয়াল ও বিচারপতি সন্দেশ পাটিলের ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানায়, অভিযুক্ত জেলবন্দি অবস্থায় কোনও শৃঙ্খলাভঙ্গ করেননি এবং ইতিমধ্যেই প্রায় ৯ বছর কারাবাসে কাটিয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে আদালত মনে করে, আজীবন কারাদণ্ডের বদলে ১২ বছরের কারাদণ্ডই যথেষ্ট।
- Log in to post comments