যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টিনের ব্যক্তিগত জীবনের আরও একটি অজানা অধ্যায় সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক নথি ও ফাঁস হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, মৃত্যুর আগে শেষবার ফোন করেছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ এক মহিলাকেই। সেই নারীর নাম কারিয়ানা শুলিয়াক যিনি পেশায় একজন দন্তচিকিৎসক।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Telegraph জানিয়েছে, বেলারুশের মিনস্ক শহরে প্রথম আলাপ হয় এপস্টিন ও শুলিয়াকের। পরিচয়ের সময় শুলিয়াকের বয়স ছিল প্রায় ২০ বছর। এক পরিচিত রুশ নারীর মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ। সম্পর্কের শুরু থেকেই এপস্টিন তাঁকে নিজের প্রেমিকা হিসেবে পরিচয় দিতেন।
পরবর্তীতে এপস্টিনের উদ্যোগেই শুলিয়াক আমেরিকায় চলে আসেন। সেখানে তিনি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত একটি ডেন্টাল কলেজ থেকে দন্তচিকিৎসার পড়াশোনা সম্পূর্ণ করেন। এপস্টিনের জীবনের শেষ কয়েক বছরে শুলিয়াক তাঁর অন্যতম ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ছিলেন বলেও দাবি প্রতিবেদনের।
২০১২ সালে এপস্টিনের বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ সামনে এলেও শুলিয়াক তখনও তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছিলেন বলে জানা যায়। ব্যক্তিগত বার্তায় তিনি এপস্টিনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কে টানাপোড়েনের ইঙ্গিতও মেলে কিছু ইমেল ও নথিতে।
২০১৯ সালের অগস্টে নিউইয়র্কের জেলে এপস্টিনের মৃত্যুর আগে শেষ ফোন কলটি এই শুলিয়াককেই করা হয়েছিল বলে দাবি নথিতে। এপস্টিনের মৃত্যুর পর তাঁর বিপুল সম্পত্তির একটি অংশ প্রায় ১০ কোটি ডলারের সম্পদের মালিকানা বর্তমানে শুলিয়াকের হাতে রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ।
- Log in to post comments