দীর্ঘ আট মাস কার্যত দলের মূল স্রোত থেকে দূরে থাকার পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করায় নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে। বৈঠকের পরই আত্মবিশ্বাসী দিলীপ স্পষ্ট জানালেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে তিনি প্রস্তুত।
এক সাক্ষাৎকারে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, একটা সময় তিনি মনে করেছিলেন দলে তাঁর প্রয়োজন হয়তো আর নেই। তবে অমিত শাহের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। দিলীপের কথায়, শাহ তাঁকে কাজ চালিয়ে যেতে এবং মাঠে সক্রিয় থাকতে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। এতে তিনি নতুন আশ্বাস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলেও জানান।
দিলীপ ঘোষের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী লড়াই জিততে গেলে একমুখী ও সংগঠিত প্রচেষ্টা দরকার। সেখানে দলের অভিজ্ঞ কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বহু কর্মী রাজপথে লড়াই করেছেন, জেল খেটেছেন তাঁদের সবাইকে নিয়েই এগোতে হবে। দল এখন সেই বাস্তবতা বুঝতে পারছে বলেই তাঁর দাবি।
ভোটে কোন আসন থেকে লড়তে চান এই প্রশ্নে দিলীপ জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে লড়াই করাই তাঁর অগ্রাধিকার। খড়গপুরের সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িত, তাই সুযোগ পেলে সেখান থেকেই প্রার্থী হতে চান। অতীতে যেভাবে তাঁকে অন্য আসনে লড়ানো হয়েছিল, তা দলের প্রত্যাশামতো ফল দেয়নি বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
তবে এখনও পর্যন্ত তাঁকে আনুষ্ঠানিক কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। দিলীপের বক্তব্য, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া হোক বা সংগঠনের পতাকা হাতে মাঠে নামা দলের প্রয়োজনে সব ভূমিকাতেই তিনি প্রস্তুত।
দলের অন্দরেই তাঁকে একসময় কোণঠাসা করা হয়েছিল কি না এই প্রশ্নে দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজনীতিতে এমনটা হতেই পারে। গুরুত্বপূর্ণ হল, সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করে আবার ঘুরে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, তিনি সেই লড়াই করেই ফিরে এসেছেন
দীর্ঘ আট মাস কার্যত দলের মূল স্রোত থেকে দূরে থাকার পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করায় নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে। বৈঠকের পরই আত্মবিশ্বাসী দিলীপ স্পষ্ট জানালেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে তিনি প্রস্তুত।
এক সাক্ষাৎকারে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, একটা সময় তিনি মনে করেছিলেন দলে তাঁর প্রয়োজন হয়তো আর নেই। তবে অমিত শাহের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। দিলীপের কথায়, শাহ তাঁকে কাজ চালিয়ে যেতে এবং মাঠে সক্রিয় থাকতে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। এতে তিনি নতুন আশ্বাস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলেও জানান।
দিলীপ ঘোষের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী লড়াই জিততে গেলে একমুখী ও সংগঠিত প্রচেষ্টা দরকার। সেখানে দলের অভিজ্ঞ কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বহু কর্মী রাজপথে লড়াই করেছেন, জেল খেটেছেন তাঁদের সবাইকে নিয়েই এগোতে হবে। দল এখন সেই বাস্তবতা বুঝতে পারছে বলেই তাঁর দাবি।
ভোটে কোন আসন থেকে লড়তে চান এই প্রশ্নে দিলীপ জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে লড়াই করাই তাঁর অগ্রাধিকার। খড়গপুরের সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িত, তাই সুযোগ পেলে সেখান থেকেই প্রার্থী হতে চান। অতীতে যেভাবে তাঁকে অন্য আসনে লড়ানো হয়েছিল, তা দলের প্রত্যাশামতো ফল দেয়নি বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
তবে এখনও পর্যন্ত তাঁকে আনুষ্ঠানিক কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। দিলীপের বক্তব্য, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া হোক বা সংগঠনের পতাকা হাতে মাঠে নামা দলের প্রয়োজনে সব ভূমিকাতেই তিনি প্রস্তুত।
দলের অন্দরেই তাঁকে একসময় কোণঠাসা করা হয়েছিল কি না এই প্রশ্নে দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজনীতিতে এমনটা হতেই পারে। গুরুত্বপূর্ণ হল, সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করে আবার ঘুরে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, তিনি সেই লড়াই করেই ফিরে এসেছেন।
- Log in to post comments