রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভোটাধিকার এবং নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার এসআই-সংক্রান্ত এক মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে এই ইস্যু তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে আইনজীবী Kapil Sibal আদালতে জানান, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা উদ্বেগজনক।
ঘটনার সূত্রপাত কলকাতার রাসবিহারী এলাকার ভোটার তথা বর্তমান মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর নামে নির্বাচন কমিশনের পাঠানো একটি শুনানির নোটিস ঘিরে। কমিশনের তরফে জানানো হয়, তাঁর এনুমারেশন ফর্মে কিছু অসঙ্গতি ছিল। সেই ত্রুটি সংশোধনের উদ্দেশ্যে গত ডিসেম্বর মাসে বিএলও, ইআরও এবং এইআরও-রা মুখ্যসচিবের বাসভবনে যান।
কমিশন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এনুমারেশন ফর্ম সম্পূর্ণভাবে পূরণ করা হয়নি। এদিন আদালতে সিব্বল বলেন, মুখ্যসচিবের বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন এবং তাঁকেও পরিচয় ও যোগ্যতার প্রমাণ সংক্রান্ত নথি জমা দিতে বলা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন রাজ্যের মুখ্যসচিবের বাসিন্দা হওয়া নিয়েই কি সংশয় তৈরি করা হচ্ছে?
পরে এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও আইনজীবী Kalyan Banerjee জানান, মুখ্যসচিবের বিষয়টিও আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস অফিসার নন্দিনী চক্রবর্তী রাজ্যের দ্বিতীয় মহিলা মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্যের চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি, তা নিয়েও সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন প্রশ্ন তোলে এবং মুখ্যসচিবকে তলব করে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
- Log in to post comments