তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ, শক্তিশালী হবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ, শক্তিশালী হবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরই বিএনপি প্রধান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরে মোদী তারেকের সঙ্গে ফোনেও কথা বলেন।

বিএনপির শীর্ষনেতা ও তারেকের বিদেশ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, তারেকের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। তবে এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কবীর বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যই এই আমন্ত্রণের মূল উদ্দেশ্য। তিনি উল্লেখ করেন, তারেকের বিদেশনীতি এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত। দুই দেশের জনগণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের সম্প্রসারণের জন্য এ ধরণের সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পরিবর্তনের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই চাপ কিছুটা বৃদ্ধি পায়। তবে স্থায়ী সরকার গঠিত হলে সম্পর্ক আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নির্বাচনের ফলাফলের পর মোদী তারেক ও বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করেছেন, তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যাশা রাখছেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে সহযোগিতার সংকল্প প্রকাশ করেছেন।

তবে এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের সুনির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। সংবাদমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার নতুন সরকার গঠিত হতে পারে।

Category